মাহবুব রোকন, মহেশখালী । ২৭ ফেব্রুয়ারি।
 
মহেশখালী-কক্সবাজার ফেরী ঘাটে মালামাল ও ব্যক্তিগত লাগেজে অতিরিক্ত টোল আদায় অব্যহত রয়েছে। সম্প্রতি নাগরিক আন্দোলনের পটভূমিতে এখানে বিআইডাব্লিউটি নির্ধারিত টোলের তালিকা সিটিজেন চার্টার আকারে টাঙিয়ে দিলেও হয়রানী থামছেনা। হরহামেশা টোলের নামে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
 সূত্র জানায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি মহেশখালী মহেশখালী উপজেলা সিটিজেন ফোরাম সকল শ্রেনী পেশার মানুষ নিয়ে একটি মানববন্ধন এর আয়োজন করে। এ মানববন্ধনে সরকারের প্রতি ১১টি লিখিত দাবী দাওয়া পেশ করা হয়। এর পরের দিন সরকারের উপ-সচিব পদ মর্যাদার এক কর্মকতা, মহেশখালী পৌরসভার মেয়র, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এড. সিরাজুল মোস্তফার উপস্থিতিতে কস্তুরাঘাট ও তার আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করা হয়। 
এ সময় বাকঁখালী নদীর ড্রেজিং করা হবে মর্মে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের ঘোষণা দেয়। সুত্র জানায়, ফেরী ঘাটের কক্সবাজার অংশের ৬নং জেটি ঘাটে যাত্রী ও যাত্রী সাধারনের সাথে বহনকৃত মালামালে নির্ধারিত একটি তালিকা টাঙ্গীয়ে দেওয়া হয়। পরে আন্দোলনকারীরা কক্সবাজারের অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক এর নিকট ৬নং ঘাটে অবৈধ টোল আদায় নিষিদ্ধ করার দাবিতে দেখা করলে তিনি ঐ ঘাটে অবৈধ টোল আদায়কারীদের পুলিশে সোপর্দ করার নির্দেশ দেয়।
 সূত্র জানায়, ৬ নং জেটি ঘাটে মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ করতে সম্প্রতি (বিআইডাব্লিউটিএ) কর্তৃক টাঙ্গানো টোল তালিকায় নিন্ম লিখিত বিষয়ে যে টাকা উল্লেখ করা হয়েছে শুল্ক কর এর বিবরণ টার্মিনাল টিকেট প্রতি যাত্রী প্রতিবার ২ টাকা। ব্যাগেজ, লাগেজ, সাধারণ মালামাল প্রতি কুইন্টাল বা ১ শত কেজীর অধিক হলে এর জন্য প্রতিবার (ঘাট) ভাড়া ৩ টাকা। একটি ছাগল/ভেড়া প্রতিবার ২টাকা। গবাদি পশু ৬টাকা, অন্যান্য সকল জীবজন্তুু ৬ টাকা। পাখি অথবা এজাতীয় অন্যান্য ৪ টাকা। ট্রাক ও বাস, মিনিবাস ১২টাকা। মটর, কার, জীপ এবং পিকআপ ৬ টাকা। স্কুটার, বেবী টেক্্রী, মটরসাইকেল, রিক্্রা ইত্যাদি ৩ টাকা। সাইকেল ১ টাকা। 
যে সকল দ্রব্য সামগ্রীর পরিমান ঘন মিটারে নির্ধারিত হয় প্রতি ঘন মিটার বা অংশ বিশেষ প্রতিবার ৩ টাকা। অপরদিকে ঘাটের কুলি চার্জ যেমন নৌযান হতে গাড়ী, রিক্্রা বা অন্যান্য যানবাহনে ১ শত মিটার দূরত্ব পর্যন্ত বহনের জন্য নির্ধারিত চার্জ যার্ত্রীদের ব্যাগেজ, লাগেজের ক্ষেত্রে ১ শত কেজী পরিমান ৬ টাকা। ও সাধারণ মালামাল ৩ টাকা। বর্তমানে সরকারী মূল্য তালিকা টাঙ্গালেও ঐ ঘাটে তালিকার বহুগুন টোল আদায় করা হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী টোল আদায় করাতো দূরের কথা বৃদ্বাআঙ্গুলী দেখিয়ে বহুগুন বেশী টোল আদায় করা যেন সরকারী নিয়মে পরিনত হয়েছে ফেরী সিন্ডিকেটের টোল আদায় কার্যক্রম। বিষয় বর্তমানে মহেশখালীর অধিক আলোচিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন অবস্থায় সাধারণ লোকজন ও এই ঘাট ব্যবহারকারী যাত্রীদের প্রশ্ন এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে দেখার কোন ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান নেই । 
 মাহবুব রোকন মহেশখালী 
ফোন: ০১৮৩২০৭৭৯৬১